হিন্দু লীগ নাকি হিন্দু মহাসভা? সংখ্যালঘু রাজনীতিতে নতুন রূপান্তর
বাংলাদেশ হিন্দু লীগ থেকে ‘বাংলাদেশ হিন্দু মহাসভা’ — সংখ্যালঘু অধিকার আন্দোলনে নতুন রাজনৈতিক রূপ
ধর্মীয় সংখ্যালঘু জনগণের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ হিন্দু লীগ এবার নতুন নামে আত্মপ্রকাশ করল। দলের নতুন নাম বাংলাদেশ হিন্দু মহাসভা।
প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দলের সভাপতি দীপক চন্দ্র গুপ্ত জানান, বাংলাদেশ হিন্দু লীগের নাম পরিবর্তন করে এখন থেকে ‘বাংলাদেশ হিন্দু মহাসভা’ নামে কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
তিনি বলেন, “বাংলাদেশ হিন্দু লীগ প্রতিষ্ঠার পর থেকে অক্লান্ত পরিশ্রম করে সংখ্যালঘু অধিকার আদায়ে কাজ করেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন সময়ের নিদারুণ অত্যাচার ও নির্যাতন সত্ত্বেও আমরা লড়াই চালিয়ে গেছি।”
দলটির ইতিহাস তুলে ধরে তিনি জানান, বাংলাদেশ হিন্দু লীগ ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেয় এবং আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধেও সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সম্মানজনক ভোট পায়। তবে কাকতালীয়ভাবে পরাজিত হওয়ার পর আওয়ামী সরকারের রোষানলে পড়ে দলটি নিবন্ধন বঞ্চিত হয়।
জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং জনগণের দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে দলের বিশেষ অধিবেশনে নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশ হিন্দু মহাসভা নাম গ্রহণ করা হয় এবং এখন থেকে দলটির সার্বিক রাজনৈতিক কার্যক্রম এই নামে পরিচালিত হবে।
রাইট
ReplyDelete